জাকাতের সঠিক ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব—এমন মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ইসলামি অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ জাকাত শুধু ব্যক্তিগত ইবাদত নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, যদি রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে জাকাত সংগ্রহ ও বণ্টন কার্যক্রমকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও লক্ষ্যভিত্তিক করা যায়, তাহলে সমাজের অসচ্ছল জনগোষ্ঠী টেকসইভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে। এতে ভিক্ষাবৃত্তি ও চরম দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
তিনি আরও বলেন, জাকাতের অর্থ শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তায় সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ করা হলে দারিদ্র্য বিমোচন দীর্ঘস্থায়ী হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা জাকাতদাতাদের উদ্দেশে বলেন, নিয়মিত ও সঠিক খাতে জাকাত প্রদান করা একটি নৈতিক দায়িত্ব। একই সঙ্গে জাকাত ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জাকাত সংগ্রহ ও উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়া ডিজিটাল করা গেলে অপচয় ও অনিয়ম কমবে এবং প্রকৃত দরিদ্ররা উপকৃত হবেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ জাকাতের সম্ভাবনা থাকলেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে এর পূর্ণ সুফল এখনো অর্জিত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে, সমন্বিত উদ্যোগ নিলে জাকাত দারিদ্র্য বিমোচনে একটি কার্যকর হাতিয়ার হতে পারে।
#Zakat #PovertyAlleviation #ReligiousAffairs #IslamicEconomy #BangladeshNews