আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী রাজনীতির শেষ অধ্যায় রচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যারা ভয়ভীতি, চাঁদাবাজি ও সহিংসতার মাধ্যমে রাজনীতি কলুষিত করেছে, জনগণ এবার তাদের চূড়ান্তভাবে প্রত্যাখ্যান করবে।
এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “দেশের মানুষ আর সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের রাজনীতি চায় না। ভোট ও গণআন্দোলনের মাধ্যমেই এই অপশক্তির বিরুদ্ধে রায় দেবে জনগণ। ১২ ফেব্রুয়ারি হবে সেই পরিবর্তনের দিন।”
তিনি অভিযোগ করেন, একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা ও প্রভাব ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে। ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ ও সাধারণ নাগরিকরা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে রাজনৈতিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, তরুণ সমাজ ও সচেতন নাগরিকরা এখন ঐক্যবদ্ধ। তারা আর ভয় নয়, অধিকার নিয়ে কথা বলতে চায়। “এই লড়াই কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এই লড়াই সন্ত্রাসী মানসিকতার বিরুদ্ধে,” যোগ করেন তিনি।
তার বক্তব্যে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করা হলে জনগণের রায়েই চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী রাজনীতির অবসান ঘটবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্য চলমান রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মাঠে কথার লড়াই ও অবস্থান স্পষ্ট করার প্রবণতা আরও জোরালো হচ্ছে।
নাহিদ ইসলাম, ১২ ফেব্রুয়ারি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, রাজনৈতিক বক্তব্য, নির্বাচন, বাংলাদেশের রাজনীতি
#নাহিদ_ইসলাম #১২ফেব্রুয়ারি #চাঁদাবাজি #সন্ত্রাস_বিরোধী #বাংলাদেশের_রাজনীতি #রাজনৈতিক_বক্তব্য #পরিবর্তন