মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর বাংলাদেশে আতঙ্কজনিত কেনাকাটা ও মজুদের প্রবণতা বাড়ে। এ পরিস্থিতিতে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি তেল বিক্রিতে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বলছে, দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ও সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। চলতি ও আগামী মাসের আমদানিও নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
জ্বালানি বিভাগ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বন্দরে একটি জাহাজ থেকে তেল খালাস চলছে। আগামী সোমবার আরও দুটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া এপ্রিল পর্যন্ত ২ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়াও চূড়ান্ত করা হয়েছে। ফলে জ্বালানি তেল নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এ বিষয়ে বিপিসির এক কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলে ব্যবহৃত পেট্রোলের প্রায় পুরোটাই এবং অকটেনের বড় অংশ দেশেই উৎপাদিত হয়। ফলে এ দুই ধরনের জ্বালানি তেল নিয়ে গ্রাহকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।