ক্রিকেটের অন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা ICC তে দ্বিমুখী সমালোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এখন পরপর আইসিসির ফোন ও চাপ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (PCB) এবং পাকিস্তান সরকারের দিকে যাচ্ছে। ICC তাদের সতর্ক করেছে যে যদি পাকিস্তান ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বর্জন (boycott) করে, তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। যেমনঃ সুযোগ থেকে বাদ দেওয়া বা আর্থিক শাস্তি।
সম্প্রতি আইসিসি-র বার্তা নেওয়ার চেষ্টা, প্রেসিং এবং পাকিস্তান ক্রিকেট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের প্রচেষ্টা চলছে, কিন্তু এখন পর্যন্ত বোর্ডের শীর্ষ নেতারা সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেননি।
পাকিস্তানের পজিশন ও আলোচনা
PCB-র চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে এই ইস্যুতে বিস্তারিত আলোচনায় বসেছেন এবং সরকারের দিক থেকেও বিষয়টি বিবেচনা হচ্ছে। সরকার এবং PCB উভয়ই বলেছেন যে সব অপশন খোলা রাখা হবে এবং শেষ সিদ্ধান্ত শীঘ্রই নেওয়া হবে। এতে বলা হয়েছে সিদ্ধান্ত শুক্রবার বা তার পরের সোমবারের মধ্যে জানা যাবে।
এমনকি পাকিস্তানের অনেক সাবেক খেলোয়াড় ও প্রাক্তন বোর্ড সদস্যরা বলছেন, ICC-এর প্রতি অসন্তোষের কারণে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বর্জন থেকে বিরত থাকতে হবে, বিশেষ করে বাংলাদেশকে বাদ দেয়ার সিদ্ধান্তের পর।
কী কারণ এই উত্তেজনার?
ICC-এর সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ এই যে বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেয়ার পর, তাকে স্কটল্যান্ড দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়। পাকিস্তান এই সিদ্ধান্তকে “দ্বিমুখী মানদণ্ড” হিসেবে সমালোচনা করেছে এবং সেই কারণে নিজের অবস্থান নিয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার চিন্তা করছে।
পরবর্তী কি হতে পারে?
-
পাকিস্তান ব্যর্থতা বা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু এতে ICC এর আর্থিক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা আসতে পারে।
-
পাকিস্তান সরকার ও PCB শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আলোচনায় থাকছে, পারস্পরিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে।
-
সর্বশেষ খবর অনুযায়ী সিদ্ধান্ত এই সপ্তাহেই আসার অনেক সম্ভাবনা রয়েছে—বিশেষত শুক্রবার বা পরের সপ্তাহের শুরুর দিকে।